Showing posts with label Weight loss. Show all posts
Showing posts with label Weight loss. Show all posts

সুস্থ থাকতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন শরীরের ওজন ঠিক রাখার। কিন্তু অনেক সময় ওজন কমানোরা জন্য আমার ব্যয়ামসহ অনেক কিছু করি, না খেয়ে থাকি। এরপরও  কমে না ওজন।

তাই অতিরিক্ত ওজন কমাতে ও সুস্থ থাকার জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবীর। যা নিয়মিত পালনে মিলবে কাঙ্ক্ষি ফল।


সকালের নাস্তা :

খুব সকালে খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আটটা বা সাড়ে আটটার দিকে দুধ চিনি ছাড়া এক কাপ চা (আদা, লেবু সামান্য লবণ দেয়া যেতে পারে) খেয়ে নিন। কুসুম গরম পানির সাথে অ্যাপেল সিডার বা কোকনাট ভিনেগার খেতে পারেন এবং কুসুম গরম পানির সাথে লেবু চিপে খেতে পারেন। আর যারা দেরিতে নাস্তা করেন তারা এগারোটার দিকে নাস্তা করবেন এবং দুপুরের খাবার আড়াইটা তিনটায় খাবেন। আর সকাল আটটায় নাস্তা খেলে দেড়টার ভেতর দুপুরের খাবার খেতে হবে।

দুপুরের খাবার :

দুপুরের খাওয়ার আগে অবশ্যই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন। এতে করে গ্যাসের সমস্যা হবে না এবং চর্বি কাটতে সাহায্য করবে। শাক, সবজি অবশ্যই এক্সট্রা ভার্জিন অলিভয়েল দিয়ে রান্না করবেন এবং মাছ ভাজলে (ডিপ ফ্রাই থেকে বিরত থাকবেন এতে খাদ্যগুণ নস্ট হয়) বা রান্না করলে এই তেল দিয়েই করবেন।

সবজি যতটুকু সম্ভব কম সেদ্ধ করবেন। যেন সবজির গুণগত মান ঠিক থাকে। ডিম কুসুমসহ ঘি বা মাখন দিয়ে ভেজে খাবেন। এক দিনে সর্বোচ্চ ছয়টা ডিম কুসুমসহ খেতে পারবেন কোন সমস্যা নেই। কারণ ডিম প্রোটিন এবং ভালো ফ্যাটের উৎস। তবে একবার ফ্যাট এ্যাডাপটেশন হয়ে গেলে চাইলেও এত খেতে পারবেন না। দেশি মুরগি খেতে পারেন, এক দুই টুকরো অথবা উল্লিখিত গরুর মাংস। মাছ খেলে মাংস খাবেন না। মাংস খেলে মাছ খাবেন না।


প্রবাসীরা ফার্মের মুরগি এক টুকরো করে খেতে পারেন। কারণ আমার জানা মতে সেখানে ফার্মের মুরগিকে আদর্শ খাবার খাওয়ানো হয় (যদিও ফার্মের মুরগি ব্যায়াম করে না যেটা দেশি মুরগি করে)। দুম্বা, উট, ভেড়ার, মাংস খেলে এক টুকরোর বেশি নয়। দুপুরের ম্যানুতে শাক, সবজি মাছ অথবা মাংস, ঘি’এ ভাজা ডিম, বাদামের সাথে বাটার রাখতে পারেন। অবশ্যই শসা বা শসার সালাদ রাখবেন সঙ্গে টমেটো, গাজর।


বিকেলে হালকা নাস্তা :

বিকেলে ক্ষুধা লাগলে উপরে উল্লেখিত চা, বাটার কফি এবং যে কোনো প্রকার মাখন বা ঘি দিয়ে ভাজা বা মেশানো বাদাম খাবেন।

রাতের খাবার :


রাতের খাবারের পূর্বেও ভিনেগার মিশ্রিত এক গ্লাস পানি খেয়ে নিবেন এবং রাতের খাবার দুপুরের অনুরূপ খাবেন। আইটেম দুই একটা কম বেশি হলেও কোনো সমস্যা নেই। রাত আটটার আগেই সমস্ত খাবার শেষ করুন। এরপর আর পানি ছাড়া কিছুই খাবেন না।


যে সব খাবার খাওয়া যাবে না :

১. চালের তৈরি সব কিছু। যেমন- ভাত, চাউলের রুটি এবং চাল দিয়ে বানানো অন্যান্য খাবার।

২. গম দিয়ে তৈরি করা খাবার। যেমন- রুটি, পাওরুটি, যে কোন প্রকার বিস্কুট এবং গম দিয়ে বানানো অন্য খাবার।


৩. যে কোনো প্রকার ডাল।


৪. আলু, মিষ্টি আলু, গাছ আলু বা আলু সাদৃশ্য অন্যান্য আলু, যা শর্করা জাতীয় সবজি যেমন- মূলা।


৫. চিনি এবং চিনি দিয়ে বানানো সব ধরণের খাবার।


৬. দই, টক দই, দুধ এবং সরাসরি দুধ দিয়ে তৈরি করা খাবার।


৭. মধু এবং মিষ্টি ফলমূল খাওয়া যাবে না।


৮. সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, রাইস ব্যান ওয়েন, ক্যানোলা ওয়েল এবং সাধারণ কোনো তেলে রান্না করা কিছু খাওয়া যাবে না।


৯. ফ্রার্মের মুরগি, যে মুরগি গুলো টেনারির বর্জ্য থেকে উৎপাদিত খাদ্য খাওয়ানো হয়।


১০. ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মোটা তাজা করা হয় এমন গরু বা খাসির মাংস।



যেগুলো খাওয়া যাবে :

১. সবুজ শাক, সবজি। তবে গাজর ও কচি সবুজ মিষ্টি কুমড়া অল্প পরিমাণে খাওয়া যাবে।

২. টক জাতীয় ফল। যেমন- জলপাই, আমলকি। এছাড়াও একটি কচি ডাবের পানি।


৩. যে কোন প্রকার মাছ খেতে পারবেন। তবে তৈলাক্ত দেশিয় মাছের ভেতর পাংগাশ, বোয়াল, ইলিশ, সরপুঁটি, ব্রিগেড, গ্রাসকার্প, বাইম (তৈলাক্ত বা সাগরের মাছ হলে আরো ভালো)।


৪. শুধুমাত্র ঘাস, লতা পাতা বা খড় কুটো খেয়েছে এমন গরু-খাসির মাংস খাওয়া যাবে (বেশি পরিমাণে না)। এছাড়া গরু বা খাসির পায়া খাওয়া যাবে। যেটা খাওয়া এই সময়ে খুবই উপকারি এটাও অল্প পরিমাণে খেতে হবে।


৫. মুরগির ডিম (ফার্ম হলে সমস্যা নেই তবে ওমেগা ৩ বা দেশি মুরগি বা হাঁস হলে বেশি ভালো)। এছাড়া সম্ভব হলে মাছের ডিমও খাওয়ার চেষ্টা করবেন।


৬. ঘি, অর্গানিক বাটার, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভয়েল, MCT ওয়েল, অর্গানিক Extra Virgin Cold Pressed কোকোনাট ওয়েল।


৭. যে কোনো প্রকার বাদাম। চিনাবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তা বাদাম, অন্যান্য বাদাম যা আছে চাইলে বাদাম ব্লেন্ড করে সাথে উপরে উল্লেখিত নারকেল তেল দিয়ে বানাতে পারেন পিনাট বাটার যেটা খেতে তুলনাহীন। তবে অল্প খাবেন।


৮. দুধ চিনি ছাড়া রং চা বা কফি। সবুজ চায়ের সাথে লেবু, আদা, সামান্য লবণ মেশাতে পারেন। কফির সাথে, MCT ওয়েল, মাখন বা ঘি এবং অর্গানিক কোকোনাট অয়েল মিশিয়ে বাটার কফি বানিয়ে খেতে পারেন। এতে ভালো কাজ হবে।







Bangla Cooking Book Bangla Cooking Book one of the website where you can find your desire cooking recipe in Bangla language . Also its coverage of fitness, home, beauty, travel, and other aspects of living well. If you want to share your recipe you can write us so that we can publisher your creation to our website.
বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ থাকে ফল। একজনের খাওয়ার পরিমাণে ফল যদি প্রতিদিন চারবার খাওয়া যায় তবে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে। এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল।

আর নির্দিষ্ট কিছু ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল বিস্তারিত।

আপেল: আপেল উচ্চ আঁশ এবং ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পেতে খোসাসহ আপেল খাওয়া উচিত। এটা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

নাশপাতি: বৃটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে কারণ এতে আছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়। তাই, যারা ওজন কমাতে চায় তাদের ফ্লাভানয়েড সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত। খোসাসহ খাওয়া হলে এর আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে এলোমেলো খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।   

ক্যাপ্সিকাম: এটাও এক ধরনের ফল। প্রতিদিন ক্যাপ্সিকাম খাওয়া হলে তা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর ক্যাপসাইসিন দেহের বাদামি ও জমাট চর্বিকে শক্তি হিসেবে পোড়াতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে অনুপ্রাণিত করে।

তরমুজ: পানি সমৃদ্ধ ফল হিসেবে পরিচিত। এর ক্যালরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালরি।

ক্যালরি কম হলেও এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় আশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন এবং লাইকোপেন। আর এর শর্করা ধীরে রক্তে মিশে। ফলে অন্যান্য খাবার খাওয়ার চাহিদা কমায়।

কমলা: অন্যান্য টক ফলের মতো কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং ক্যালরি কম। আর এটা অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে রস করে খাওয়ার চাইতে আস্ত কমলা খাওয়া বেশি উপকারী।

কলা: উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি ও শর্করা থাকার কারণে ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তবে ক্যালরি বেশি হলেও এই ফলে আরও রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ, বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, বি-সিক্স এবং সি। এই ফলের শর্করাও শরীরে ধীরে শোষিত হয়। তাই বিভিন্ন পুষ্টি উপাদনে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

বেরি-জাতীয় ফল: ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি এই ধরনের ফলে ক্যালরির মাত্রা কম কিন্তু অন্যান্য পুষ্টিগুণ অনেক। আমাদের দেশে ব্লুবেরি সহজলভ্য না হলেও স্ট্রবেরি পাওয়া যায়।

এক কাপ বা ১৫২ গ্রাম স্ট্রবেরিতে ৫০-এর কম ক্যালরি থাকে। আর প্রতিদিনের চাহিদার ৩ গ্রাম পরিমাণ আঁশ যোগান দিতে পারে। সেই সঙ্গে পাওয়া যায় ভিটামিন সি এবং ম্যাঙ্গানিজ। এছাড়া কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে, রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে যা পক্ষান্তরে স্থূলকায় মানুষের জন্য উপকারী।





Bangla Cooking Book Bangla Cooking Book one of the website where you can find your desire cooking recipe in Bangla language . Also its coverage of fitness, home, beauty, travel, and other aspects of living well. If you want to share your recipe you can write us so that we can publisher your creation to our website.
যোগাসন শরীরের মেদ কমাতে সহায়ক উপায় 

সূর্য নমস্কার করলে গোটা শরীরের ব্যায়াম হয়। প্রথম প্রথম দু’বার করবেন। ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়াবেন। প্রথমে এটি করলে পেশী ও নার্ভ ব্যথা হতে পারে। পরে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

পোজ-১: প্রথমে ইয়োগা ম্যাটে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে সূর্যকে প্রনামের মতন হাত দুটো তুলে সূর্য নমস্কারের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করুন। এটি করলে মন ও শরীর শান্ত হবে। 

পোজ-২: এবার দু’হাত মাথার ওপর তুলে টান টান করুন। ওপরের ছবিতে দেখানো হয়েছে। এটা করলে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে শরীর চাঙ্গা হবে।

পোজ-৩: মাথার ওপর হাত দুটো এবার ধীরে ধীরে সামনের দিকে ঝুঁকে পায়ের আঙুল ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। এটির ফলে পা ও পেটের পেশির উন্নতি ঘটিয়ে শরীরকে চনমনে করে তুলবে। একইসঙ্গে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়বে।

পোজ-৪: এবার বাম পা ও দু’হাত সামনে রেখে অশ্বারোহী মতন করুন। ছবির ভঙ্গির মতন। কিছুক্ষণ এভাবে অবস্থানের পর দু’পা পেছনে ঠেলে দিন। হাত দুটো কিন্তু সামনের স্থানেই থাকবে। এভাবে করলে গোটা শরীর সুস্থ হয়ে ওঠবে। শুধু তাই নয়, ভেরিকোস ভেনের মতো রোগ সারাতে সহায়ক এ পোজটি। 

পোজ-৫: পুরো শরীর মাউন্টের মতন করুন। এই ভঙ্গিটি করলে কাঁধ এবং বুকের ওপরও জোর পড়ে তাই ফিগার সুন্দর হয়। 

পোজ-৬: মুখের থুঁতনি ইয়োগা ম্যাটের সঙ্গে লাগিয়ে পুশআপের মতন করুন। যেমন ছয় নম্বর ছবির ভঙ্গিটি। এটি করলে বুক, হাত এবং পা চাঙ্গা হয়ে ওঠবে। বুকের পেশির কর্মক্ষমতা ও শিরদাঁড়ারের ফ্লেক্সিবিলিটি (নমনীয়তা) বাড়ে। 

পুনরায় একইভাবে আবার করুন। কিন্তু চার নম্বর পোজটি করার সময় ডান পা সামনে রাখবেন। সবশেষে এক মিনিট চোখ বন্ধ করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকুন। আর অনুভব করুন আপনার শরীরের কী কী হচ্ছে। বেশি খারাপ লাগলে ম্যাটের ওপর শুয়ে পড়ুন।




সুত্র ঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

Bangla Cooking Book Bangla Cooking Book one of the website where you can find your desire cooking recipe in Bangla language . Also its coverage of fitness, home, beauty, travel, and other aspects of living well. If you want to share your recipe you can write us so that we can publisher your creation to our website.
ওজন কমানোর জন্য যে সব খাবার খওয়া প্রয়োজন 
how to loose weight
how to loose weight 

প্রতিদিন আমরা অনেক কিছু খাই । বিশেষ করে যারা মেট্রো সিটি তে বসবাস করি । তার মধে অন্যতম ফাস্ট ফুড। যাহ আমাদের কে মুটিয়ে দিছে প্রতিদিন। এই সব সমস্যা প্রতিদিন ই বেড়েই চলছে। সবার পক্ষে প্রতিদিন সব কিছু ঠিক ঠাক করে চলা টাও কঠিন হয়ে পরেছে। আসুন জেনে নেই ধরনের খাবারগুলো আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারে।


ফল

ফলে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি। প্রায় সব ধরনের ফল আপনার ওজন কমানোর অংশ হওয়া উচিত। কেবল সঠিক বিষয়বস্তু দিয়ে আপনার পেট পূর্ণ করে ফল।

আখরোট

প্রতিদিন মাত্র ক’মুঠ আখরোট পেয়ে আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটিকে বাড়িয়ে তুলতে পারেন। এ শুকনো ফলগুলো পুষ্টির সঠিক মিশ্রণের অধিকারী, যা হৃদরোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকেও উৎসাহ দেয়।

লাল মরিচ

লাল মরিচ যা তৃপ্তিবোধ ও ওজন বাড়ানোর লড়াইয়ে সহায়তা করে। পাশাপাশি এ মসলা দেহের ফ্যাট কমাতে সহায়তা করে। 

লেবু

খাবারের তালিকায় লেবু অন্তর্ভুক্ত করুন। লেবু খাদ্য হজমে সহায়তা করে ও অতিরিক্ত চর্বি কমায়।

ওজন কমানোর জন্য এ খাবারগুলোর আয়োজন করার দরকার নেই। কারণ এই খাবারগুলো কমবেশি সব সময় আপনার রান্নাঘরে থাকে। কেবল নিয়ম মেনে খাবারগুলো খান অবশ্যই আপনার ওজন কমাতে সহায়তা কবরে।

শসা

শসায় প্রায় ৮৫ শতাংশ পানির উপস্থিতি রয়েছে। শসার অতিরিক্ত পানি ওজন কমাতে নিখুঁতভাবে কাজ করে। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন খাবারগুলোতে উপস্থিত টক্সিন দূর করতেও সহায়তা করে শসা।

সবুজ-শাকসবজি

সবুজ-শাকসবজি যা আপনার ওজন কমাতে সহায়তা করে। এরমধ্যে বাঁধাকপি ও মেথির পাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। যা দিয়ে আপনি প্রতিদিন তরকারি বা সবজি তৈরি করেন। এগুলোতে ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেট কম এবং ভিটামিন বেশি রয়েছে।

ডাল ও মটরশুঁটি

সাধারণত আমাদের মায়েরা প্রতিদিনই ডাল ও ছানা তৈরি করেন। এ ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন রয়েছে। যা আমাদের সময় তৃপ্ত ও উৎসাহিত রাখে।

পনির

সাধারণত পনিরে প্রোটিন বেশি, ক্যালোরি কম, যা আপনার ওজন কমাতে দুর্দান্ত কাজ করে। পনিরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম জাতীয় পুষ্টি রয়েছে।

সিদ্ধ আলু

এটি অবশ্যই অবাক করার মতো বিষয়। সিদ্ধ আলু খেলে ওজন কমে বিষয়টি সবাইকে অবাক করার মতো। তবে হ্যাঁ, সিদ্ধ আলু আপনার ওজন কমাতে পারে, যদি সেগুলো আপনি ধুয়ে খান। সিদ্ধ আলুতে কার্বস, ফাইবার ও পটাসিয়াম রয়েছে।







Bangla Cooking Book Bangla Cooking Book one of the website where you can find your desire cooking recipe in Bangla language . Also its coverage of fitness, home, beauty, travel, and other aspects of living well. If you want to share your recipe you can write us so that we can publisher your creation to our website.
জেনে নিন ওজন কমানোর নতুন পদ্ধতি - bangla cooking book

ওজন কমানোর পদ্ধতি গুলো অনেকে অনেক ভাবে বলেছেন। অনেকে অল্প খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন। একটু কমে যাওয়ার পরে হয়তো হাল ছেড়ে দিয়েছেন। আবার বেড়ে গেছে ওজন। এবার ওজনের বাড়ার প্রক্রিয়ায় রাশ টেনে ধরতে করতে পারেন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং। এটি হলো একটা নির্দিষ্ট সময় না খেয়ে থাকার পর আবার কিছু খাবার খেয়ে ওজন কমানোর পদ্ধতি। ইতিমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই পদ্ধতিতে খুব দ্রুত কিছু ওজন কমানো সম্ভব হয় ঠিকই। এই ডায়েট করার আগে কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা আছে কি না, কী কী ওষুধ খেয়ে থাকেন, কাজের ধরন-সময়, পরিশ্রমের মাত্রা ইত্যাদি জেনে নেবেন।

যাঁদের জন্য এই পদ্ধতি করা যাবে না তা হলো: কম ওজনের ব্যক্তি, ১৮ বছরের নিচের কিশোরেরা, গর্ভাবস্থায়, প্রসূতি মা ইত্যাদি অবস্থায়।

ছয় ধরনের পদ্ধতিতে এটা করা হয়।


প্রথম: প্রতিদিন ১৪-১৬ ঘণ্টা না খেয়ে ৮-১০ ঘণ্টার মধ্যে দুবারের বেশি খেতে হয়।

দ্বিতীয়: সপ্তাহে ৫ দিন স্বাভাবিক খাবার খেয়ে বাকি ২ দিন খুব কম (< ৫০০ ক্যালরি) খেয়ে থাকা।

তৃতীয়: এক দিন না খেয়ে থেকে পরের দিন খাবার খেতে হয়।

এভাবে আরও অনেক কয়েকটি পদ্ধতিতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করা হয়।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ে শারীরিক যে যে সমস্যা হতে পারে:


*  ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা।

*  হঠাৎ করে ক্ষুধা লাগা।

*  দুর্বলতা, ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে থাকা।

*  চুল পড়া, স্বাভাবিক অবস্থায় ও ঠান্ডা লাগে।

*  অনিয়মিত পিরিয়ড।

*  ডায়াবেটিস রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়

*  মাথাব্যথা, লো-এনার্জি হয়ে বিভিন্ন ধরনের ইনজুরির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

*  হার্ট বার্ন, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঝাপসা লাগা, দ্বিধা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।

*  শরীরে কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে মানসিক চাপ ও খাবারে আসক্তি বেড়ে যায়।

এ ছাড়া ও অন্যান্য ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি দেখা দেয়।
ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং অথবা অন্য যেকোনো অসামঞ্জস্য ও অসম পুষ্টির ডায়েট চার্ট একদিকে যেমন বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি করে, অন্যদিকে খুব দ্রুত ও বেশি ওজন বাড়াতে থাকে। মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য কোনো জাদু নেই।

* প্রয়োজন স্বাভাবিক ও সুষম খাবার

* কম ক্যালরিযুক্ত খাবার

* বাড়তি ওজন কমাতে ও শরীরের মেটাবলিক হার বাড়াতে ব্যায়াম করতে হবে।

* ওজন কমানো যতটা জরুরি তার থেকে জরুরি হলো, তা দীর্ঘ দিন ধরে রাখা।


লেখক: পুষ্টিবিদ





Bangla Cooking Book

Bangla Cooking Book one of the website where you can find your desire cooking recipe in Bangla language . Also its coverage of fitness, home, beauty, travel, and other aspects of living well. If you want to share your recipe you can write us so that we can publisher your creation to our website. 





OlderStories Home

SPONSOR